চিকুনগুনিয়া রোগের ব্যাপক বিস্তারের ব্যাপারে স্বাস্থ্য
বিশেষজ্ঞরা পারিবারিক পর্যায়ের অসচেতনতাকে দায়ী করেছেন। পাশাপাশি মশার
উৎপত্তিস্থল ধ্বংসে নগরবাসী তেমন সচেতন নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।
সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা (আইইডিসিআর) কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ডা. মীরজাদী সাবরিনা ফ্লোরা আজ সাংবাদিকদের বলেন, চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে ঢাকাবাসীর উচিৎ তাদের বাড়িঘর পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা।
তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি নগরীর বাসিন্দারা এডিস মশা ধ্বংসে অবহেলা করছেন... চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত কর্মসূচিতে তাদের সহায়তা করা উচিৎ।
প্রফেসর ফ্লোরা বলেন, আমরা ধারণা করছি, ধীরে ধীরে এই রোগের প্রকোপ কমে যাবে। এ জন্য পরবর্তী কয়েকটি দিন আমাদের দেখতে হবে, তাহলে এই রোগের প্রকৃত অবস্থা বুঝা যাবে।
তিনি জানান, আইইডিসিআরে গত ৩ জুলাই থেকে চিকুনগুনিয়া রোগের জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে এবং যে কেউ এই রোগের ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
প্রফেসর ফ্লোরা বলেন, রাজধানীতে মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া রোগে ৫৬৬ জনের মতো আক্রান্ত হয়েছেন বলে সনাক্ত করা হয়েছে। এই রোগ সম্পর্কে জানার জন্য প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি আইইডিসিআর-এ আসছেন।
আইইডিসিআর-এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এসএম আলমগীর বাসসকে বলেন, এডিস এজিপ্টি ও এডিস আলবোপিকটাস নামক দুই প্রজাতির মশা চিকুনগুনিয়া রোগের কারণ। এই রোগের বিশেষ কোন চিকিৎসা না থাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি এই রোগ প্রতিরোধে জনগণকে জানতে হবে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচুর পরিমাণ পানীয় পান করতে হবে এবং বিশ্রামে থাকতে হবে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোগ নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের পরিচালক ও স্বাস্থ্যসেবা অধিদফতরের (ডিজিএইচএস) লাইন পরিচালক প্রফেসর ডা. সানিয়া তাহমিনা বলেন, আমরা ঢাকা মহানগরীর ৪৭টি ওয়ার্ডের ৫০টি স্থানে চিকুনগুনিয়া রোগের ঝঁকিপূর্ণ স্থান নির্ধারণে একটি জরিপ পরিচালনা করেছি।
তিনি বলেন, চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ ও গাইডলাইন নিয়ন্ত্রণে পাঁচ শয়ের মতো চিকিৎসক ও নার্সকে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিভাগ, ঝেলা ও উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মশার প্রজননকেন্দ্র বিনষ্টে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রফেসর সানিয়া বলেন, আমরা গত ১৭ জুন ঢাকা মহানগরীর ৯২টি ওয়ার্ডের দুইশটিরও বেশি স্থানে চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারাভিযান চালিয়েছি। এতে বিভিন্ন সরকারি ও প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে, ডেন্টাল কলেজ ও নার্সিং ইন্সটিটিউটের প্রায় এক হাজারের মতো ছাত্রছাত্রী অংশ নেন।
চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাল রোগ, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে ছড়ায়।
সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা (আইইডিসিআর) কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ডা. মীরজাদী সাবরিনা ফ্লোরা আজ সাংবাদিকদের বলেন, চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে ঢাকাবাসীর উচিৎ তাদের বাড়িঘর পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা।
তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি নগরীর বাসিন্দারা এডিস মশা ধ্বংসে অবহেলা করছেন... চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত কর্মসূচিতে তাদের সহায়তা করা উচিৎ।
প্রফেসর ফ্লোরা বলেন, আমরা ধারণা করছি, ধীরে ধীরে এই রোগের প্রকোপ কমে যাবে। এ জন্য পরবর্তী কয়েকটি দিন আমাদের দেখতে হবে, তাহলে এই রোগের প্রকৃত অবস্থা বুঝা যাবে।
তিনি জানান, আইইডিসিআরে গত ৩ জুলাই থেকে চিকুনগুনিয়া রোগের জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে এবং যে কেউ এই রোগের ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
প্রফেসর ফ্লোরা বলেন, রাজধানীতে মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া রোগে ৫৬৬ জনের মতো আক্রান্ত হয়েছেন বলে সনাক্ত করা হয়েছে। এই রোগ সম্পর্কে জানার জন্য প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি আইইডিসিআর-এ আসছেন।
আইইডিসিআর-এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এসএম আলমগীর বাসসকে বলেন, এডিস এজিপ্টি ও এডিস আলবোপিকটাস নামক দুই প্রজাতির মশা চিকুনগুনিয়া রোগের কারণ। এই রোগের বিশেষ কোন চিকিৎসা না থাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি এই রোগ প্রতিরোধে জনগণকে জানতে হবে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচুর পরিমাণ পানীয় পান করতে হবে এবং বিশ্রামে থাকতে হবে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোগ নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের পরিচালক ও স্বাস্থ্যসেবা অধিদফতরের (ডিজিএইচএস) লাইন পরিচালক প্রফেসর ডা. সানিয়া তাহমিনা বলেন, আমরা ঢাকা মহানগরীর ৪৭টি ওয়ার্ডের ৫০টি স্থানে চিকুনগুনিয়া রোগের ঝঁকিপূর্ণ স্থান নির্ধারণে একটি জরিপ পরিচালনা করেছি।
তিনি বলেন, চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ ও গাইডলাইন নিয়ন্ত্রণে পাঁচ শয়ের মতো চিকিৎসক ও নার্সকে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিভাগ, ঝেলা ও উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মশার প্রজননকেন্দ্র বিনষ্টে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রফেসর সানিয়া বলেন, আমরা গত ১৭ জুন ঢাকা মহানগরীর ৯২টি ওয়ার্ডের দুইশটিরও বেশি স্থানে চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারাভিযান চালিয়েছি। এতে বিভিন্ন সরকারি ও প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে, ডেন্টাল কলেজ ও নার্সিং ইন্সটিটিউটের প্রায় এক হাজারের মতো ছাত্রছাত্রী অংশ নেন।
চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাল রোগ, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে ছড়ায়।







0 comments:
Post a Comment